Detecting...

সাভার-আশুলিয়াসহ ঢাকার চারপাশের নদীপথে চালু হচ্ছে ওয়াটার বাস : সড়কমন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 2, 2026 ইং
সাভার-আশুলিয়াসহ ঢাকার চারপাশের নদীপথে চালু হচ্ছে ওয়াটার বাস : সড়কমন্ত্রী ছবির ক্যাপশন: সাভার-আশুলিয়াসহ ঢাকার চারপাশের নদীপথে চালু হচ্ছে ওয়াটার বাস : সড়কমন্ত্রী
ad728
গ্রামশহর ডেস্ক, ২ আগস্ট, ২০২৬
রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীপথে আবারও যাত্রীবাহী ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগে নদীদূষণ, নাব্য সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং যাত্রী আকর্ষণের মতো বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেছেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
আজ রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢাকার চারপাশের নদীপথে যাত্রীবান্ধব নৌপরিবহন চালুর পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এক ফলোআপ বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানিয়েছেন, নৌপথ সচল করার পাশাপাশি কীভাবে ঢাকার নদীগুলোর দূষণ প্রতিরোধ করা যায়, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা যায় এবং নদীর নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নদীর চারপাশে নির্মিত ওয়াকওয়ের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর নির্দেশনা দেন, যাতে পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত হয় এবং নদীর তীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
সেতুমন্ত্রী বলেছেন, রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোকে শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, পর্যটনবান্ধব জলপথ হিসেবেও গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে গাবতলী থেকে সাভারের আশুলিয়া, টঙ্গি, নারায়ণগঞ্জ, সদরঘাট ও বসিলা ঘুরে আবার গাবতলীতে ফিরে আসার একটি রুট বিবেচনায় রয়েছে।
তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা নদীদূষণ। সরকারি জরিপ অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২১টি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৬টি এবং ঢাকা ওয়াসার ৬৬টি পয়েন্ট থেকে সরাসরি নদীতে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে।
শেখ রবিউল আলম আরও বলেছেন, হাতিরঝিলে ওয়াটার বাস সফল হলেও সেখানে দূরত্ব কম এবং যাত্রী বেশি। ঢাকার চারপাশের দীর্ঘ নদীপথে একই মডেল পুরোপুরি কার্যকর হবে না। তাই যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পর্যটনকেও গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
তিনি জানিয়েছেন, কয়েকটি সেতুও এ প্রকল্পের বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে টঙ্গির রেলসেতুর নিচ দিয়ে ওয়াটার বাস চলাচলের পর্যাপ্ত উচ্চতা নেই। রেলসেতু উঁচু করা সম্ভব না হওয়ায় ওই স্থানে যাত্রীদের এক পাশে নেমে সেতু পার হয়ে অপর পাশে অপেক্ষমাণ ওয়াটার বাসে ওঠার বিকল্প ব্যবস্থা বিবেচনায় রয়েছে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : মোঃ নজরুল ইসলাম

কমেন্ট বক্স